• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
রায়গঞ্জে ৮ প্রতিষ্ঠানে ১৪১ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ রায়গঞ্জে বৈকুণ্ঠপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এডহক কমিটির পরিচিতি সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তাড়াশে কুড়িয়ে পাওয়া মাটির ব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ রাজু হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ রেখে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামি গ্রেফতার ৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে রায়গঞ্জ থানাপুলিশ রায়গঞ্জে ১০ জন উপকারভোগীর মাঝে অটোরিকশা বিতরণ করা হয়েছে রায়গঞ্জে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ৫ আসামি আটক রায়গঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ বাংলার চিরচেনা রূপ সোনালী আঁশ পাট ছাড়ানোর কাজে তাড়াশের চলনবিলে ব্যস্ত মা-বোনেরা

রায়গঞ্জে ৮ প্রতিষ্ঠানে ১৪১ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ১৪১ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। সোমবার দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার ছয়টি দাখিল মাদ্রাসা ও দুটি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—কুটারগাঁতী দাখিল মাদ্রাসা (ভোকেশনাল), আইআর টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (ভোকেশনাল), বাসুদেবকোল শ্রীরামের পাড়া দাখিল মাদ্রাসা, মিরের দেউলমোড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, বিএম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, কয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা, হাসিল দাখিল মাদ্রাসা ও ফরিদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

এর মধ্যে কুটারগাঁতী দাখিল মাদ্রাসা (ভোকেশনাল) থেকে ৭ জন, আইআর টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট (ভোকেশনাল) থেকে ১৬ জন, বাসুদেবকোল শ্রীরামের পাড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৭ জন, মিরের দেউলমোড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন, বিএম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন, কয়ড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২২ জন, হাসিল দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০ জন এবং ফরিদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১৪১ জন পরীক্ষার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

এ ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের এমন ফলাফলের কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহা. নূরন্নবী মিয়া বলেন, “আমি এখন বাইরে আছি। কালকে অফিসে আসেন, সামনাসামনি কথা হবে।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, “শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি এমপিওভুক্ত এবং বাকিগুলো নন-এমপিও। প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন এমন ফলাফল হলো, বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবশ্যই সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলে সেখানে পাঠদানের মান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষকদের কার্যক্রম ও একাডেমিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category