নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুড়িগ্রামে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় একসঙ্গে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তিন যমজ বোন। একই পরিবারের তিন কন্যার এমন বিরল সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার, বিদ্যালয় এবং পুরো এলাকাবাসী।
মেধা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের অনন্য নজির স্থাপন করা এই তিন যমজ বোন হলেন— তাবিয়া রহমান, তাহিয়া রহমান ও তাকিয়া রহমান। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে তিনজনই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
একই সঙ্গে জন্ম, একই সঙ্গে বেড়ে ওঠা, একই শ্রেণিতে লেখাপড়া এবং এবার একই সঙ্গে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি—তাদের এই অর্জন সবার কাছে বিস্ময় ও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিক্ষাজীবনের শুরুতেই এমন অসাধারণ সাফল্য প্রমাণ করেছে, সঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায় এবং পরিবারের সহযোগিতা থাকলে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেওয়া সম্ভব।
তিন বোনের এই সাফল্যে গর্বিত তাদের অভিভাবক। তারা জানান, ছোটবেলা থেকেই মেয়েরা নিয়মিত পড়াশোনা করেছে এবং একে অপরকে উৎসাহ দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ও সবার দোয়া-আশীর্বাদই এই সাফল্যের মূল শক্তি।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, তিন যমজ বোনই অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও পরিশ্রমী। তাদের এই অর্জন শুধু বিদ্যালয়ের জন্য নয়, পুরো কুড়িগ্রাম জেলার জন্যই গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতেও তারা আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষকরা।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহল মনে করছেন, তিন যমজ বোনের এই অনন্য কৃতিত্ব অন্য শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাদের এই সাফল্য প্রমাণ করে—নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও পারিবারিক উৎসাহ থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।
বর্তমানে তিন যমজ বোনের এই অসাধারণ অর্জনের খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে। আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসী তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।