• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
Headline
দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের ঘোড়ার গাড়ি,স্মৃতিতে গেঁথে আছে এক সময়ের বাহন রায়গঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার সলঙ্গা থানা যুবদলের পক্ষ থেকে আওয়ামীলীগ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক রায়গঞ্জের শ্যামনাই-দূর্গাপুর সড়ক সংস্কারে এগিয়ে এলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির শিক্ষার্থীকে বিয়ে করে বিতর্কে কলেজ শিক্ষক, সামনে এলেন আরেক ‘স্বামী’ তাড়াশে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মারুফ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলে এটাকে ধর্ষণ বলা যাবে না, এলাহাবাদ হাইকোর্ট পরিবেশ দূষণের দায়ে সিরাজগঞ্জে অবৈধ কারখানাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা রায়গঞ্জে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং মাছ

Reporter Name / ১৮১ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র চান্দাইকোনা পাবনা বাজারে অসাধু মাছ ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে সয়লাব হয়ে গেছে ক্ষতিকর রং মেশানো শিং মাছ। আকর্ষণীয় লাল রং দেখে সাধারণ ক্রেতারা এসব মাছ কিনলেও ঘরে ফেরার পর তা ধোয়ার সময় বেরিয়ে আসছে আসল রূপ। বিষাক্ত কেমিক্যাল ও কৃত্তিম রং ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

শনিবার সকালে (৯মে) সরেজমিনে চান্দাইকোনা পাবনা বাজারে মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে টকটকে লাল রঙের শিং মাছ। সাধারণত দেশি শিং মাছের রং কিছুটা কালচে ও ধূসর হয়ে থাকে। কিন্তু বাজারে বিক্রি হওয়া এসব মাছের রং অস্বাভাবিক উজ্জ্বল লাল। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে চাষের সাদা শিং মাছের গায়ে এক ধরণের বিশেষ লাল রং বা টেক্সটাইল ডাই মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বালতির পানিতে আগে থেকেই রং গুলে রাখা হয়, যেখানে মাছগুলো ছাড়লে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেগুলো ‘দেশি শিং’ এর রূপ ধারণ করে।

বাজারে মাছ কিনতে আসা আব্দুল হালিম নামে এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দেখতে টাটকা আর লাল মনে হওয়ায় বেশি দাম দিয়ে শিং মাছ কিনেছিলাম। কিন্তু বাড়িতে নিয়ে ধোয়ার পর দেখি পানির রং লাল হয়ে যাচ্ছে আর মাছের আসল সাদা চামড়া বেরিয়ে আসছে। আমরা তো মাছ নয়, বিষ কিনে আনছি।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন খুচরা বিক্রেতা জানান, আড়ত থেকেই অনেক সময় রং মেশানো মাছ আসে। আবার বেশি লাভে ‘দেশি মাছ’ হিসেবে চালানোর জন্য স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীও এই রঙের কারসাজি করে থাকেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছে ব্যবহৃত এই শিল্প-রং বা রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি লিভার, কিডনি এবং পাকস্থলীর মারাত্মক ক্ষতি করে। বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এই ধরণের কেমিক্যালযুক্ত খাদ্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। চান্দাইকোনা বাজারে অবিলম্বে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই অসাধু চক্রকে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category