তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ০৮ নং দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। দিন যত গড়াচ্ছে, প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ ও প্রচার-প্রচারণায় ততই মুখরিত হয়ে উঠছে পুরো ইউনিয়ন। নির্বাচনী এই উত্তাপের মাঝে গণসংযোগে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন তৃণমূল থেকে উঠে আসা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ স্থানীয় রাজনীতিতে এক সুপরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। তিনি দেশীগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি দক্ষতার সঙ্গে দেশীগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) এবং সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার তিনি ইউনিয়নের ক্ষীরপোতা, চন্ডিভোগ ও কুমাল্লু গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময়, প্রবীণদের কাছ থেকে দোয়া প্রার্থনা এবং তরুণদের সাথে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ব্যাপক সমর্থন আদায় করছেন তিনি।
উক্ত গণসংযোগ ও মতবিনিময়কালে তার সফরসঙ্গী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু হানিফ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রাব্বানি, দেশীগ্রাম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন এবং দেশীগ্রাম ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মোজাফফর হোসেনসহ দলের স্থানীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
গণসংযোগকালে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদ বলেন, “আমি অবহেলিত দেশীগ্রাম ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় ও সার্বিক উন্নয়নে আজীবন কাজ করতে চাই। জনকল্যাণমুখী কাজের মাধ্যমে এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করাই আমার মূল অঙ্গীকার। ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে আমি যেমন অতীতে পাশে ছিলাম, আগামীতেও একইভাবে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , তৃণমূল থেকে উঠে আসা পরীক্ষিত রাজনৈতিক নেতা সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী দৌড়ে বেশ সুবিধাজনক ও শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।