হেড অফিস,
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় ফিরছে হারিয়ে যাওয়া সময়, নস্টালজিক ছবিতে মুগ্ধ বর্তমান প্রজন্ম
প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যেন আবারও ফিরে এসেছে বহু বছর আগের সেই পরিচিত দিনগুলো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমান সময়ের ছবিকেই রূপ দেওয়া যাচ্ছে পুরোনো দিনের পোশাক, চুলের স্টাইল, পরিবেশ ও জীবনযাপনের আবহে।
আশি ও নব্বইয়ের দশকের ফ্যাশন, বড় ফ্রেমের চশমা, সে সময়ের চুলের কাট, শার্ট-প্যান্ট এবং পুরোনো দিনের রাস্তা, দোকানপাট ও পরিবেশ—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি করা যাচ্ছে নস্টালজিক ছবি। ফলে বর্তমান প্রজন্মও প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুভব করার সুযোগ পাচ্ছে কয়েক দশক আগের ফ্যাশন ও জীবনযাপনের আবহ।
যেভাবে তৈরি করবেন পুরোনো দিনের ছবি
এ ধরনের ছবি তৈরি করতে প্রথমে নিজের একটি পরিষ্কার ছবি এআই-চালিত ছবি তৈরি বা এডিটিং প্ল্যাটফর্মে দিতে হবে। এরপর নির্দেশনায় ব্যক্তির চেহারা, মুখের গঠন ও পরিচয় অপরিবর্তিত রাখার কথা উল্লেখ করে নির্দিষ্ট সময়ের পোশাক, চশমা, চুলের স্টাইল ও পরিবেশ যুক্ত করার নির্দেশ দিতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে নির্দেশনায় বলা যেতে পারে—
“এই ছবির ব্যক্তির চেহারা, মুখের গঠন ও পরিচয় অপরিবর্তিত রাখুন। তাকে ১৯৮০/৯০ দশকের ফ্যাশনের শার্ট-প্যান্ট, সে সময়ের চশমা ও চুলের স্টাইলে উপস্থাপন করুন। ছবির পরিবেশে পুরোনো দিনের রাস্তা, দোকানপাট ও রেট্রো আবহ রাখুন। ছবিটি যেন সেই সময়ের তোলা বাস্তব ছবির মতো দেখায়।”
এরপর এআই প্রযুক্তি ছবিটি বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত পোশাক, চুলের স্টাইল, চশমা ও পরিবেশ যুক্ত করে নতুন একটি ছবি তৈরি করতে পারে। একইভাবে আশি, নব্বই কিংবা ২০০০ সালের শুরুর দিকের বিভিন্ন সময়ের ফ্যাশন ও পরিবেশেও ছবি তৈরি করা সম্ভব।
তবে এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি এসব ছবি বাস্তব পুরোনো ছবি নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি বা সম্পাদিত কৃত্রিম দৃশ্য। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের সময় ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি—এ বিষয়টি উল্লেখ করা উচিত।
প্রযুক্তি আর মানুষের স্মৃতির এই মেলবন্ধনে এখন এক ক্লিকেই যেন ফিরে আসছে হারিয়ে যাওয়া সময়। এআইয়ের ক্যামেরায় নতুন করে ধরা দিচ্ছে আশি-নব্বইয়ের দশকের ফ্যাশন, পরিবেশ আর স্মৃতিমাখা দিনগুলো।