হেড অফিস,
২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়েছেন ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে শুরু করে ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতেও শিক্ষকতা করেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মো. সাইফুল্লাহ
প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর আপনি উপাচার্য, অনেক বড় দায়িত্ব। গত ২ বছর এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী ছিল?
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ: দেখুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু একটা ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ বললে কম বলা হয়। এটা একটা উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্র বা হাব। দেশে যত ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে, তার ৭০ শতাংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এই বিপুল তরুণ জনশক্তিকে বাদ দিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন যেমন সম্ভব নয়, তেমনি এদের বিশ্ববাজার উপযোগী করে গড়ে তোলাও অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আমরা সেই কাজে হাত দিয়েছি। আশা করছি, খুব শিগগির দৃশ্যমান উন্নয়ন চোখে পড়বে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর অন্যতম মূল চ্যালেঞ্জ ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করা, পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনা। কারণ, গণ-অভ্যুত্থানের পর নানা কারণে সবাই ট্রমাটাইজ ছিল। সেই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে এখন আমরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছি, প্রতিবছর প্রায় ৫ লাখ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বের হন। তাঁদের কত শতাংশ চাকরি পান বা পান না, সে রকম কোনো উপাত্ত কি আপনাদের কাছে আছে?
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ: সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে ইউনিসেফের সহযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে একটি গবেষণা কার্যক্রম চলছে। সেটি শেষ হলে হয়তো বলা যাবে। তবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার হিসেবে দেখা যায়, প্রায় ৭০ শতাংশ চাকরি পায়।