নিজস্ব প্রতিবেদক,
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, সকল মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সম্মানিত এবং শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি— আমি আঁখি। দীর্ঘদিনের পথচলায় মিডিয়াকে আমি ভালোবেসেছি, আপন করে নিয়েছি। এই অঙ্গনে আমি অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা এবং সম্মানের সাথে কাজ করে আসছি। আপনারা যারা আমাকে চেনেন, তারা জানেন কাজের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা কতটুকু। কিন্তু আজ অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন এবং গভীর উদ্বেগের সাথে আমাকে কিছু অপ্রিয় সত্য সামনে আনতে হচ্ছে। আমার প্রাক্তন স্বামী শরিফুল ইসলাম খান (যাকে আপনারা সবাই মিডিয়াতে ‘শুভ’ নামে চেনেন), আমাদের আইনি বিচ্ছেদ হয়ে গেছে বেশ কিছুদিন আগেই। আইনের নিয়ম মেনে আমরা আমাদের নিজস্ব পথ বেছে নিয়েছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিচ্ছেদের পরেও তার নোংরা, হীন মানসিকতা ও প্রতিহিংসা থামেনি। সে এখন সরাসরি আঘাত করছে আমার ক্যারিয়ারে, আমার রুজি-রোজগারে। বিভিন্ন সম্মানীয় প্রযোজক এবং পরিচালকদের সে ভয় দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে, যাতে আমাকে কেউ কাজে না নেয়। একজন শিল্পীর কাজের পরিবেশ নষ্ট করার এই বেআইনি ও নোংরা চক্রান্ত আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করলেও, আমার মনোবল ভাঙতে পারেনি। যারা তার এই ষড়যন্ত্রে অজান্তে পা দিচ্ছেন বা তার কথায় কান দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই—মিডিয়া একটি পেশাদার জায়গা। এখানে কাজের যোগ্যতা, সততা আর পরিশ্রমই শেষ কথা। কারও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা হিংসার জেরে একজনের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়া কোনো সুস্থ পেশাদারিত্বের লক্ষণ হতে পারে না। আমি আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আমি বিশ্বাস করি অন্যায় করে পার পাওয়া যায় না। যারা আমার রুজি-রোজগার কেড়ে নেওয়ার এই নোংরা খেলায় মেতেছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো আইনি লড়াইয়ে যেতে প্রস্তুত।
শ্রদ্ধেয় পরিচালক ও প্রযোজক ভাইদের প্রতি আমার আকুল অনুরোধ—আপনারা কোনো ধরণের অপপ্রচার বা হুমকিতে বিভ্রান্ত হবেন না। কাজের ক্ষেত্রে অতীতে আমাকে যেভাবে সততার সাথে পাশে পেয়েছেন, ভবিষ্যতেও আমি নিজের সেরাটা দিয়ে আপনাদের সাথে কাজ করতে চাই। একজন নারী হিসেবে, একজন সহকর্মী হিসেবে আমার পাশে দাঁড়ানো এবং কাজের একটি নোংরামুক্ত, সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।
আমি শুধু আমার অধিকার এবং কাজের স্বাধীনতাটুকু চাই। অন্যায়কারীর সঠিক বিচার হোক, জয় হোক সততার।
সবাই ভালো থাকবেন, আমার জন্য দোয়া করবেন।
ধন্যবাদান্তে,
আঁখি।