• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
রায়গঞ্জের শ্যামনাই-দূর্গাপুর সড়ক সংস্কারে এগিয়ে এলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির শিক্ষার্থীকে বিয়ে করে বিতর্কে কলেজ শিক্ষক, সামনে এলেন আরেক ‘স্বামী’ তাড়াশে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মারুফ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলে এটাকে ধর্ষণ বলা যাবে না, এলাহাবাদ হাইকোর্ট পরিবেশ দূষণের দায়ে সিরাজগঞ্জে অবৈধ কারখানাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা রায়গঞ্জে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন চৌহালীর উমারপুরে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রচারণা ও বিমা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত জন্ম থেকেই পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারে না কর্ন একটি হুইলচেয়ারের অপেক্ষায় প্রতিবন্ধী শিশুটি রায়গঞ্জে শ্রী রামচন্দ্রের ছবিতে জুতা নিক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন সংবাদ প্রকাশের পর রায়গঞ্জে সংস্কার হলো ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো

শিক্ষার্থীকে বিয়ে করে বিতর্কে কলেজ শিক্ষক, সামনে এলেন আরেক ‘স্বামী’

Reporter Name / ৩৮ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা এলাকার ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এক ব্যক্তির দাবিকৃত বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে কলেজ ক্যাম্পাসেও উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের বিএ (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং উল্লাপাড়া উপজেলার আমডাঙ্গা এলাকার শামছুল হক ভূঁইয়ার মেয়ে স্বর্ণা খাতুনকে গত ১৯ জুন বিয়ে করেন একই কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম। অভিযোগ রয়েছে, কলেজে পড়াশোনার সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে তা বিয়েতে রূপ নেয়।

তবে এই বিয়ের পর নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেন উল্লাপাড়া উপজেলার বড়হর তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য মো. মুরাদ হোসেন। তিনি দাবি করেন, প্রায় দুই বছর আগে স্বর্ণা খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল এবং তিনি এখনও তার বৈধ স্বামী। তার অভিযোগ, স্বর্ণাকে ফুসলিয়ে নিয়ে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মুরাদ হোসেন বলেন, “স্বর্ণা আমার স্ত্রী। প্রায় দুই বছর আগে আমাদের বিয়ে হয়। এখন তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মেনে নিতে পারছি না। আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।”

রোববার কলেজের অফিস কক্ষে এসে কান্নাকাটি করলে সেখানে উপস্থিত শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় ঘটনাটি নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “এসব বিষয়ে সামনাসামনি কথা বললে ভালো হয়। আমি পরে কথা বলছি। আমার বড় ভাই আপনার সঙ্গে কথা বলবে।”

অধ্যাপকের বড় ভাই মো. লিটন বলেন, “স্বর্ণার আগে কোনো বিয়ে হয়নি। স্বামী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিটি প্রতারক। আমরা পারিবারিকভাবে বিয়ে দিয়েছি। তার দাবির কোনো ভিত্তি নেই।”

ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদ আলী বলেন, “মেয়েটি অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করে। সে প্রাপ্তবয়স্ক। প্রেম করতেই পারে। বিয়ে করেছে কি না, আমি এসব জানি না।”

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এলিজা সুলতানা বলেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে এবং ঘটনাটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বা আচরণবিধি পরিপন্থী প্রমাণিত হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে স্বর্ণা খাতুনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মুরাদ হোসেনের দাবিকৃত পূর্ববর্তী বিয়ের কোনো নথিপত্র তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category