• সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
Headline
সাংবাদিক মোঃ মোশারফ হোসেন কে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি রায়গঞ্জে রাস্তা সংস্কার ও ড্রেন নির্মানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী ভক্তদের দেওয়া ৫ টাকা ১০ টাকায় গড়ে উঠেছে ৪০ কোটি টাকা ব্যয় এ মহা তীর্থস্থান  রায়গঞ্জের চান্দাইকোনায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে রং মিশ্রিত শিং মাছ ইলিশ মাছ দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করছেন উজ্জ্বল দাশ গাজীপুরে ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জানা যাচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য হয় বিয়ে না হয় লাশ, এই শপথে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে প্রেমিকা পাবনা চৌবাড়িয়া জোরগাছা একটি নালা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ার জগতি মন্ডলপাড়ায় সাগর নামের এক যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছেন এক তরুণী রায়গঞ্জে হিন্দু কলেজ শিক্ষার্থী পলি কে নিয়ে একই কলেজের শিক্ষক রবিউল পলায়ন

ভক্তদের দেওয়া ৫ টাকা ১০ টাকায় গড়ে উঠেছে ৪০ কোটি টাকা ব্যয় এ মহা তীর্থস্থান 

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

সরনজিত সরকার সূর্যঃ

শৈশবে অভাবের তাড়নায় বিক্রি করেছেন ডালি এবং কুলা, পাঁচ ভাই এবং এক বোনের সংসারে দু বেলা অন্য জোটানো ছিলো যেখানে দায়,সেই মানুষটি আজ গড়ছে মহা তীর্থস্থান। কোন বড় বাজেট বা সরকারি অনুদান নয়, ভক্তদের দেওয়া খরচা ৫ টাকা ১০ টাকার খুঁরচো পয়সায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয় এ নির্মাণ করেছেন  বিশাল এক মন্দির কমপ্লেক্স, আকাশ ছোঁয়া ভক্তি আর পাহাড় সম বিশ্বাস, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি মধ্যরামপুর গ্রামটি এখন আর সাধারণ কোন জনপদ নয়, এক সময়ে পরিত্যক্ত ৪০০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ মন্দির চত্বর এখন অভাবনীয় এক রূপান্তরের সেজে উঠেছে, আরে রূপান্তরের জাদুকর হরিদাস বাবু। শৈশবে চরম দারিদ্রতা দমিয়ে রাখতে পারিনি হরিদাস কে, কঠোর পরিশ্রম আর সততায় নিজের স্বপ্ন সত্যি করেছেন তিনি, মাত্র ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলেন, শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির নির্মাণের কাজ, আজ তা ছাড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকার অংক। তিনি বলেন আমরা পাঁচ ভাই ছিলাম আমার বোন ছিল একটা, আমি প্রতিদিনগুলো বানাইতাম, বিক্রি করতাম এবং বাবা বিভিন্ন গ্রামে সেগুলো বিক্রি করতো এবং মানুষের সহযোগিতায় আমাদেরকে মানুষ করেছে, আমি পড়াশোনা করেছি এবং ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় কাজকর্ম করেছি, যখন ব্যবসা করেছি ব্যবসার মধ্য দিয়ে যেটুকু সম্পদ অর্জন করেছি, ওইটুকু সম্পদ আমি আমার ভগবানের কাজে বিলিয়ে দিলাম,  এবং সকল সনাতনীদের নিয়ে যে তীর্থস্থান করার প্ল্যান ছিল, এটা আমি কষ্টের মধ্য দিয়ে প্রতিফলন ঘটাচ্ছি। 
কোন জমানো তহবিল নয়, সাধারণ মানুষের এক টাকা পাঁচ টাকা দশ টাকায় খরচা অনুদানি হয়ে উঠেছে এই তীর্থস্থান।  রোজ এখানে পূজো হয়, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে খাওয়ানো হয় সকাল দুপুর এবং রাতের খাবার আর এই সমস্ত কিছুই পরিচালিত হচ্ছে ভক্তদের দেওয়া প্রণামী টাকায়। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category