• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Headline
যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ আতিকা খাতুনকে হত্যা: ঢাকা থেকে ৪ আসামি গ্রেপ্তার চান্দাইকোনা দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের ঘোড়ার গাড়ি,স্মৃতিতে গেঁথে আছে এক সময়ের বাহন রায়গঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে জাল টাকাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার সলঙ্গা থানা যুবদলের পক্ষ থেকে আওয়ামীলীগ এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক রায়গঞ্জের শ্যামনাই-দূর্গাপুর সড়ক সংস্কারে এগিয়ে এলেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির শিক্ষার্থীকে বিয়ে করে বিতর্কে কলেজ শিক্ষক, সামনে এলেন আরেক ‘স্বামী’ তাড়াশে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র মারুফ হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করলে এটাকে ধর্ষণ বলা যাবে না, এলাহাবাদ হাইকোর্ট

ভক্তদের দেওয়া ৫ টাকা ১০ টাকায় গড়ে উঠেছে ৪০ কোটি টাকা ব্যয় এ মহা তীর্থস্থান 

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

সরনজিত সরকার সূর্যঃ

শৈশবে অভাবের তাড়নায় বিক্রি করেছেন ডালি এবং কুলা, পাঁচ ভাই এবং এক বোনের সংসারে দু বেলা অন্য জোটানো ছিলো যেখানে দায়,সেই মানুষটি আজ গড়ছে মহা তীর্থস্থান। কোন বড় বাজেট বা সরকারি অনুদান নয়, ভক্তদের দেওয়া খরচা ৫ টাকা ১০ টাকার খুঁরচো পয়সায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয় এ নির্মাণ করেছেন  বিশাল এক মন্দির কমপ্লেক্স, আকাশ ছোঁয়া ভক্তি আর পাহাড় সম বিশ্বাস, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি মধ্যরামপুর গ্রামটি এখন আর সাধারণ কোন জনপদ নয়, এক সময়ে পরিত্যক্ত ৪০০ বছরের পুরনো জরাজীর্ণ মন্দির চত্বর এখন অভাবনীয় এক রূপান্তরের সেজে উঠেছে, আরে রূপান্তরের জাদুকর হরিদাস বাবু। শৈশবে চরম দারিদ্রতা দমিয়ে রাখতে পারিনি হরিদাস কে, কঠোর পরিশ্রম আর সততায় নিজের স্বপ্ন সত্যি করেছেন তিনি, মাত্র ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করেছিলেন, শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির নির্মাণের কাজ, আজ তা ছাড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকার অংক। তিনি বলেন আমরা পাঁচ ভাই ছিলাম আমার বোন ছিল একটা, আমি প্রতিদিনগুলো বানাইতাম, বিক্রি করতাম এবং বাবা বিভিন্ন গ্রামে সেগুলো বিক্রি করতো এবং মানুষের সহযোগিতায় আমাদেরকে মানুষ করেছে, আমি পড়াশোনা করেছি এবং ঢাকা শহরে বিভিন্ন জায়গায় কাজকর্ম করেছি, যখন ব্যবসা করেছি ব্যবসার মধ্য দিয়ে যেটুকু সম্পদ অর্জন করেছি, ওইটুকু সম্পদ আমি আমার ভগবানের কাজে বিলিয়ে দিলাম,  এবং সকল সনাতনীদের নিয়ে যে তীর্থস্থান করার প্ল্যান ছিল, এটা আমি কষ্টের মধ্য দিয়ে প্রতিফলন ঘটাচ্ছি। 
কোন জমানো তহবিল নয়, সাধারণ মানুষের এক টাকা পাঁচ টাকা দশ টাকায় খরচা অনুদানি হয়ে উঠেছে এই তীর্থস্থান।  রোজ এখানে পূজো হয়, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে খাওয়ানো হয় সকাল দুপুর এবং রাতের খাবার আর এই সমস্ত কিছুই পরিচালিত হচ্ছে ভক্তদের দেওয়া প্রণামী টাকায়। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category