নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধ,
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভোর রাতে ঘরে ঢুকে স্বামী-সন্তানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ—এর চেয়ে ভয়ংকর, নৃশংস ও লজ্জাজনক ঘটনা আর কী হতে পারে? শুধু ধর্ষণই না, লুটপাট, প্রাণনাশের হুমকি, আর তার ওপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর দম্ভ!
একজন মা, একজন স্ত্রী—তার চোখের সামনে স্বামী আর ছোট্ট সন্তানকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ঘটনার দায় শুধু কয়েকজন বিকৃত মানুষের না—এই দায় পুরো ব্যবস্থার, যেখানে অপরাধীরা জানে তারা “প্রভাবশালী পরিচয়” ব্যবহার করে পার পেয়ে যেতে পারে।
আমরা কি চুপ করে থাকবো? নাকি প্রতিবারের মতো কিছুদিন চিৎকার করে আবার ভুলে যাবো?
ধর্ষক, সন্ত্রাসী, লুটেরা—যেই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় নয়, তার পরিচয় একটাই: অপরাধী।
এই ঘটনার দ্রুত বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে—না হলে এই নীরবতা একদিন আমাদের সবার ঘরে আগুন হয়ে পৌঁছাবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।