সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চর তেলিজানা গ্রামের সেই অসহায় পরিবারটির দীর্ঘশ্বাসের অবসান হতে চলেছে।১০ মাস আগে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল মোতালেব ভাইয়ের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি যখন গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত, তখন আলোর দিশারি হয়ে আশার বাণী শুনিয়েছেন আমাদের সবার প্রিয় স্বেচ্ছাসেবক মামুন বিশ্বাস ভাই। যেখানে এতিম শিশু আর বিধবা মায়ের কান্না, সেখানেই ভরসা হয়ে দাঁড়ান এই ‘মানবতার জাদুকর’! ফেসবুকের মাধ্যমে এই অসহায় পরিবারটির মানবেতর জীবন আর বুক ফাটানো দুর্দশার চিত্র দেখতে পেয়ে মামুন বিশ্বাস ভাই অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত জানান।তিনি উক্ত পরিবারটির যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা প্রবলভাবে বিশ্বাস করি—অতি শীঘ্রই তাঁর এই মহান প্রতিশ্রুতি পূরণ হতে যাচ্ছে এবং ওই এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটতে যাচ্ছে।মামুন বিশ্বাস এই মানবতার জাদুকর; তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণ একজন মানুষ। তিনি ভালো করেই জানেন কেমন করে এই অসহায় পরিবারটির ভাগ্য বদলে দিতে হবে।আমরা আশা রাখি—বিচক্ষণতার সহিত তিনি এমন একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন যাতে এই অসহায় মায়েদের আর পেটের দায়ে ঘরের বাইরে গিয়ে মাটি কাটার মতো কঠিন কায়িক শ্রম দিতে না হয়। ঘরের সম্মান যেন ঘরেই অটুট থাকে এবং এতিম শিশু দুটি যেন সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে, সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করবেন।যেহেতু তিনি নিজে বিষয়টি তদারকি করার আশ্বাস দিয়েছেন, তাই এই মুহূর্তে আর অন্য কোনো নতুন সহযোগিতার প্রয়োজন নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে এই এতিম শিশুদের জন্য কিছু করতে চান, তবে সরাসরি উক্ত পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই মানবতার ফেরিওয়ালা মামুন বিশ্বাস ভাইকে। যাঁর বিচক্ষণ চিন্তা ও মানবিক হৃদয় আজ এক অসহায় পরিবারের অন্ধকার ঘরে আশার প্রদীপ জ্বালাতে চলেছে।