মোঃ শাহ্ আলম সরকার স্টাফ রিপোর্টার,
মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।
বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও যেন রেহাই নেই। দুশ্চিন্তায় গাজীপুর বাসিন্দারা।গাজীপুর বাসীর অভিযোগ ময়লা আবর্জনার স্তূপ।আবর্জনায় মশা ও মাছি জন্ম নেয়। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে মশার বিস্তার চরম আকার ধারণ করেছে। এতে মশার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গাজীপুর।উপদ্রব এমন ভাবে বেড়েছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার আগে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশা কামড়ানোর পর সে স্থানে ফুলে যন্ত্রণা করে। বাসাবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। দিনের আলোতেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে।এলাকাবাসীরা বলেন, সন্ধ্যার আগেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে হয়। তারপর যেন রেহাই নেই। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এমন অবস্থা যে, কয়েলের ওপরও মশা ঘোরাঘুরি করে। দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর মশা যেখানে কামড়ায় সেখানে জ্বালা-যন্ত্রণা করে ও ফুলে ওঠে। কয়েল কিনতে প্রতি দিন ১০ টাকা খরচ হয়। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের এলাকার শিক্ষার্থী আবু তালেব হোসেন বলেন, এত বেশি মশার উপদ্রব বেড়েছে যে, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। কয়েল জ্বালিয়ে মশারির ভেতরে পড়তে হচ্ছে।সফিপুর বাজার সেলিম বলেন, এ এলাকায় মশা নিধনের তেমন একটা কার্যক্রম চোখে পড়ে না।অথচ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী।গাজীপুর এলাকাবাসীর আকুল দাবি সরকারের কাছে এই মশা নিধন করার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন।