শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বকেয়া বিলের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি,ভাঙচুর এলাকাবাসীর সহায়তায় ১৮২৪ ক্যান বিয়ার উদ্ধার মনোহরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ টাকা জরিমানা তাড়াশের চলন বিলে সরিষার বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি একনেকের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  সলঙ্গায় ৭৭ কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ করেন উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি রায়গঞ্জে দাদপুর সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বদলির প্রতিবাদে মানববন্ধন অচল হাত, শূন্য থালা,পক্ষাঘাতে থমকে গেলেও লড়ে যাচ্ছেন আজিজ দম্পতি হিরো আলমের মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমেছে নায়িকা ও ভক্তবৃন্দরা!

বকেয়া বিলের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি,ভাঙচুর

রিপোর্টার অসীম সরকার,

গাজীপুর মহানগর কোনাবাড়ীতে বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় ‘রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেড কারখানার’ পোশাক শ্রমিকরা বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ কর্মবিরতি শুরু করেন।
এক পর্যায়ে শ্রমিকরা কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত ও ভেতরে ভাঙচুর শুরু করে। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বিকালে পাওনা পরিশোধ শুরু হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ কোনাবাড়ী জোনের পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান বলেন, “কারখানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি পর্যাপ্ত মেট্রোপলিটন পুলিশও মোতায়েন করা হয়। বকেয়া নাইট বিল দেওয়া শুরু করলে শ্রমিকরা আন্দোলন ছেড়ে বেড়িয়ে যায়।পুলিশ ও আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন মাসের বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির টাকার দাবিতে শ্রমিকরা বুধবার বেলা ১২টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করে। সেদিন বিকাল ৫টার দিকে আন্দোলন স্থগিত করে করে চলে যান তারা।একই দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার সময় শ্রমিকরা কারখানাতে গিয়ে আবারও কর্মবিরতি শুরু করেন। এ সময় পাওনা পরিশোধ নিয়ে কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে শ্রমিকদের তর্কবিতর্ক শুরু হয়।এক পর্যায়ে শ্রমিককরা তাদের শারীরিকভাবে ‘লাঞ্ছিত করে। পরে শ্রমিকরা সবাই কারখানার এসেম্বলিতে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পরে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বকেয়া পাওনা পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা ভাঙচুর বন্ধ করে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেয়।রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেডের কাটিং সেকশনের এক অপারেটর (নাম প্রকাশ করতে চাননি) বলছিলেন, প্রতিদিন রাত ১১-১২টা পর্যন্ত তারা ডিউটি করেন। অথচ ঠিক মতো নাইট বিল পরিশোধ করে না কারখানা কর্তৃপক্ষ। রোজার মাসেও রাত ১১টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়।ওই সেকশনের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা একই দাবিতে তারা বুধবার আন্দোলন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার পর থেকে আবার আন্দোলন শুরু হয়। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা স্টাফদের ওপর হামলা চালিয়ে কারখানায় ভাঙচুর করে।তিনি বলেন, আমি কোনোমতে পালিয়ে রক্ষা পেয়েছি।এসব বিষয়ে রিপন নীট ওয়্যার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন মাসের বকেয়া নাইট বিল ও বাৎসরিক ছুটির মধ্যে এক মাসের লাইট বিল পরিশোধের আশ্বাস দিলেও শ্রমিকরা তা না মেনে আন্দোলন অব্যাহত রাখে। পরে মালিক তাদের তিন মাসের নাইট বিল এবং রোববার বাৎসরিক ছুটির বকেয়া টাকা পরিশোধ করার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।বিকাল ৩টার দিকে নাইট বিল দেওয়া শুরু হয় বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page