শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বকেয়া বিলের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি,ভাঙচুর এলাকাবাসীর সহায়তায় ১৮২৪ ক্যান বিয়ার উদ্ধার মনোহরদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ টাকা জরিমানা তাড়াশের চলন বিলে সরিষার বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি একনেকের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিনন্দন দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  সলঙ্গায় ৭৭ কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ করেন উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি রায়গঞ্জে দাদপুর সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বদলির প্রতিবাদে মানববন্ধন অচল হাত, শূন্য থালা,পক্ষাঘাতে থমকে গেলেও লড়ে যাচ্ছেন আজিজ দম্পতি হিরো আলমের মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নেমেছে নায়িকা ও ভক্তবৃন্দরা!

তাড়াশের চলন বিলে সরিষার বাম্পার ফলন,কৃষকের মুখে স্বস্তির হাসি

মোঃ মুন্না হুসাইন তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার চলন বিল এলাকায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ বপন এবং রোগবালাই কম থাকায় এবার বিঘাপ্রতি ৭ থেকে ৮ করে প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা ও চাষিরা। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হলুদ সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে পুরো চলন বিল এলাকা। কয়েক সপ্তাহ আগেও যে জমিগুলো খালি পড়ে ছিল, এখন সেখানে সরিষা কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। অনেকেই জানান, আমন ধান কাটার পর পতিত জমিতে সরিষা আবাদ করে অতিরিক্ত লাভের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার কৃষক আরমান হোসেন বলেন, “এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার ফলন অনেক বেশি হয়েছে। বাজারে দাম মোটামুটি ২৯০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে এতে খরচ উঠিয়ে লাভ করা সম্ভব হবে।” আরেক কৃষক রহিম উদ্দিন জানান, “সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কম করতে হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কমেছে।” উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে তাড়াশ উপজেলায় কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে কৃষকেরা সময়মতো আগাছা দমন ও সুষম সার প্রয়োগ করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরিষা চাষ মাটির উর্বরতা ধরে রাখতে সহায়ক এবং কম সময়ের ফসল হওয়ায় এটি কৃষকের জন্য লাভজনক বিকল্প। এছাড়া ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে সরিষার বাম্পার ফলনে স্থানীয় বাজারে সরিষা ও সরিষার তেলের সরবরাহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষকেরা ন্যায্য দাম পেলে চলন বিল এলাকায় আগামী মৌসুমে সরিষা চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page